1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কুড়িগ্রামে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত এস.এস.সি পরীক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী জমি লিখে না দেওয়ায় কুড়িগ্রামে বাবাকে মেরে ঘরে আটকে রাখলেন দুই ছেলে কুড়িগ্রামে শিশু হত্যা তদন্তে নেই অগ্রগতি, সংবাদ সংগ্রহে বাধার মুখে ৩ সাংবাদিক কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মহাসড়ক দখল করে মালামাল রাখায় ২ জনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার কুড়িগ্রামে অর্থের প্রলোভনে ধর্মান্তরের অভিযোগ, আটক ২ কুড়িগ্রামে দুই ভারতীয় যুবকসহ এক বাংলাদেশি আটক, ইয়াবা উদ্ধার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী পুনরায় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী কুড়িগ্রামে গ্রেফতার কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

বর্ষার আগেই তীব্র নদী ভাঙন, গৃহহীন শতাধিক পরিবার

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
ছবি লোড হচ্ছে..............
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫ ইং ১২:০১ পিএম.
বর্ষা নামার এখনও ঢের বাকি। কিন্তু তার আগেই ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গাধর ও দুধকুমারের ভাঙন তীব্র হয়ে উঠেছে। অন্তত ৭টি পয়েন্টে এসব নদ-নদীর থাবায় গত এক মাসে শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়েছে। বিলীন হয়েছে আবাদি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হুমকিতে রয়েছে গ্রাম, জমি, সড়ক, স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিলেও তা কার্যকর হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ভাঙনকবলিতরা।
ধরলার তীব্র ভাঙনে উলিপুরের রসুলপুরে গত এক মাসে প্রায় অর্ধশত পরিবার ভিটে হারিয়েছে। ভাঙনের হুমকিতে আছে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠসহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
রৌমারী উপজেলার ঘুঘুমারি ও সুখেরবাতির চরে চার কিলোমিটারব্যাপী ভাঙনের তাণ্ডব চলছে ব্রহ্মপুত্রের। বিলীন হয়েছে একটি স্কুল, হুমকিতে গ্রাম ও বাজার। একই অবস্থা দুধকুমার পাড়ের চর ভুরুঙ্গামারী, যাত্রাপুর ও গঙ্গাধর পাড়ের ইসলামপুরসহ কয়েকটি এলাকায়। এসব এলাকায় আরও অর্ধশত পরিবার শিকার হয়েছে ভাঙনের।
বিকল্প বসতি গড়ার ব্যবস্থা না থাকায় ভাঙনকবলিত অনেকেই খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। ভাঙনের মুখে পড়া অনেকের দিন কাটছে শঙ্কায়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বেগমগঞ্জে গত দুই বছরে ব্রহ্মপুত্র আর ধরলার ভাঙনে ইউনিয়নের প্রায় হাজার বিঘা আবাদি জমি বিলীন হয়েছে। কয়েকশ পরিবার বসতভিটা হারিয়েছেন। স্কুল ও বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে চলে গেছে। কিন্তু ভাঙন প্রতিরোধে পাউবোর পক্ষ থেকে কিছু বালুর বস্তা ফেলা ছাড়া স্থায়ী কোনও প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া জানান, যদি তার ইউনিয়নে ভাঙন রোধের ব্যবস্থা না হয় তাহলে পুরো ইউনিয়ন নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন সরকারের কাছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, বেগমগঞ্জ ও সুখেরবাতি এলাকায় ভাঙন রোধে স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ চলমান ও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যেসব এলাকায় ভাঙন বেশি, সেখানে জিও ব্যাগ ফেলে দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ