1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কু‌ড়িগ্রা‌মে ৩০ বছর পর দখলমুক্ত হলো সরকারি রাস্তা ঢাকায় গোপনে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাড়িতে আসতেই তালা ঝুলিয়ে স্বামী উধাও কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা জোরদার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টিসিবি পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরলেন আড়াই হাজার কার্ডধারী কুড়িগ্রামে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত এস.এস.সি পরীক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী জমি লিখে না দেওয়ায় কুড়িগ্রামে বাবাকে মেরে ঘরে আটকে রাখলেন দুই ছেলে কুড়িগ্রামে শিশু হত্যা তদন্তে নেই অগ্রগতি, সংবাদ সংগ্রহে বাধার মুখে ৩ সাংবাদিক কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মহাসড়ক দখল করে মালামাল রাখায় ২ জনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

কুড়িগ্রামে পাসপোর্টের প্রত্যয়নপত্র আনতে পুলিশের ভুলে আটক যুবক

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
Image loading----
চিলমারী মডেল থানা
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রামের চিলমারী থানায় পাসপোর্টের প্রত্যয়নপত্র আনতে গিয়ে নামের মিল থাকায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে এক যুবককে আটক করে পুলিশ। তবে চার ঘণ্টা পর তাঁকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চিলমারী মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।
আসামি হিসেবে আটক মো. মাঈদুল ইসলাম (৩৫) বৈলমনদিয়ারখাতা গ্রামের আ. সাত্তারের ছেলে। তিনি আজ পাসপোর্টের প্রত্যয়নপত্র নিতে গেলে যৌতুকের মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাঁকে আটক করেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রতন কুমার।
এদিকে মূল আসামি একই এলাকার আ. ছাত্তার আলীর ছেলে মাঈদুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে সৌদি আরব প্রবাসী বলে তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম জানিয়েছেন। প্রায় ১৬ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে হাসিনা বেগম বাদী হয়ে ২০১৬ সালে কুড়িগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ২০১১ সালে মাঈদুল ইসলামের দুই বছরের সাজা হয়।
চিলমারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকিউল ইসলাম বলেন, তিনি থানায় গিয়ে মুচলেকা দিয়ে আটক মাঈদুলকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।
মালার বাদী হাসিনা বেগম (হাসি) বলেন, ‘আমি যে মাইদুলের নামে মামলা করেছি সে সৌদিতে থাকে। আমার সন্তানের বাবা সে। ১২ বছর আগে মামলা করেছিলাম। আমি শুনেছি কয়েক দিন আগে দেশে এসে আবার সৌদিতে চলে গেছে। মাইদুল ইসলাম নামে কে আটক হয়েছে তা আমি জানি না।’
আটককৃত যুবক মাঈদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিয়ে করেছি ২০১৭ সালে। আর যে মামলায় আটক করা হয়, সেই মামলা হয়েছে ২০১১ সালে। আমার নামে থানা কিংবা আদালতে কোনো মামলা নাই। নামের মিল থাকায় না জেনে শুনে পুলিশ আটক করলে আমি অবাক হই। পুলিশ আমার চার ঘণ্টা সময় নষ্ট করেছে যেটা কারও কাম্য নয়। এতে প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করছি।’
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামি আর ওই ব্যক্তির নাম এক হওয়ায় মাঈদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছিল। পরে তদন্ত করে জানা যায় তিনি আসামি নন। তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ