1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কু‌ড়িগ্রা‌মে ৩০ বছর পর দখলমুক্ত হলো সরকারি রাস্তা ঢাকায় গোপনে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাড়িতে আসতেই তালা ঝুলিয়ে স্বামী উধাও কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা জোরদার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টিসিবি পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরলেন আড়াই হাজার কার্ডধারী কুড়িগ্রামে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত এস.এস.সি পরীক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী জমি লিখে না দেওয়ায় কুড়িগ্রামে বাবাকে মেরে ঘরে আটকে রাখলেন দুই ছেলে কুড়িগ্রামে শিশু হত্যা তদন্তে নেই অগ্রগতি, সংবাদ সংগ্রহে বাধার মুখে ৩ সাংবাদিক কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মহাসড়ক দখল করে মালামাল রাখায় ২ জনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

কোরবানির ঈদে ব্যস্ত সময় পার করছে কুড়িগ্রামের কামারেরা

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৬ জুন, ২০২৫
ছবি লোড হচ্ছে...........
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-
শুক্রবার, ০৬ জুন ২০২৫ ইং ১০:০০ এএম.
টুং, টাং শব্দে মুখরিত কুড়িগ্রাম জেলার কামারেরা। এই শব্দই জানান দিচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা সন্নিকটে।
ঈদের আর মাত্র ১ দিন বাকি। তাই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সকাল থেকে রাত সমান তালে ব্যস্ত সময় পার করছেন কুড়িগ্রামের জেলার বিভিন্ন উপজেলার ফুলবাড়ী, বালারহাট, গংগার হাটসহ বিভিন্ন বাজারের কামারেরা, তবে গঙ্গারহাটের কামারদের টুংটাং শব্দটা একটু বেশি।
শুক্রবার (০৬ জুন) বিভিন্ন বাজারে সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। গত কয়েকদিন ধরেই তারা খুব সকাল থেকে মাঝ রাত পর্যন্ত দা, ছুরি, বঁটি সহ অন্যান্য সরঞ্জাম তৈরি ও মেরামতের কাজ করছেন। সময় যত ঘনিয়ে আসছে বেচা-কেনাও ততই বাড়ছে তাদের। শেষ মুহূর্তে দম ফেলারও সময় নেই কামারদের।
কয়েকটি কামারের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি দোকানে ৩-৪ জন কর্মকার কোরবানির গরু কাটার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরোনো দা, বঁটি ধার দিতে মজুরি ১শত টাকা থেকে ১২০ টাকা। গরু জবাইয়ের ১৬/১৮ ইঞ্চি সাইজের বড় ছুরি তৈরি করতে খরচ হচ্ছে ৮/১২ শত টাকা, চাপাতি প্রতি পিস খরচ হচ্ছে ৬ শত টাকা থেকে ১ হাজার শত টাকার মধ্যে আর ছোট চাকু ১ মত থেকে ১শত ২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
একাধিক কামার শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা বছর দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি প্রভৃতি বিক্রি করে যে ব্যবসা হয়, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ব্যবসা হয় কোরবানির ঈদে।
কর্মকার ওবাইদুল, আব্দুর রহিম সহ একাধিক কামার জানায়, এই কাজ তারা বংশানুক্রমে করে আসছেন। এ পেশায় বর্তমানে যারা রয়েছেন তারা বেশিরভাগই বাপ-দাদার ব্যবসাকে আঁকড়ে ধরে আছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ