1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কু‌ড়িগ্রা‌মে ৩০ বছর পর দখলমুক্ত হলো সরকারি রাস্তা ঢাকায় গোপনে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাড়িতে আসতেই তালা ঝুলিয়ে স্বামী উধাও কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা জোরদার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টিসিবি পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরলেন আড়াই হাজার কার্ডধারী কুড়িগ্রামে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত এস.এস.সি পরীক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী জমি লিখে না দেওয়ায় কুড়িগ্রামে বাবাকে মেরে ঘরে আটকে রাখলেন দুই ছেলে কুড়িগ্রামে শিশু হত্যা তদন্তে নেই অগ্রগতি, সংবাদ সংগ্রহে বাধার মুখে ৩ সাংবাদিক কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মহাসড়ক দখল করে মালামাল রাখায় ২ জনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

বৈশাখী ঝড়ো বাতাস বোরো ধান চাষীদের দুশ্চিন্তা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫
ছবি লোড হচ্ছে................
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-
মঙ্গলবার, ০৬ মে ২০২৫ ইং ১১:১১ পিএম.
কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষেতের বোরো ধানের ক্ষতির আশঙ্কায় কুড়িগ্রামের কৃষক। এরই মধ্যে ক্ষেতের ধান নুয়ে পড়েছে। ভয়ে জমির আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন অনেকেই। আর সবচেয়ে দুশ্চিন্তায় কাঁচা ধানের মালিকরা।
গত এপ্রিলে শেষ সপ্তাহে হঠাৎ করে কয়েক মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ে মাটিতে লেপটে গেছে ক্ষেতের ধান। যেকোনো সময় বয়ে যেতে পারে শিলাবৃষ্টিও। তাই জমির আধাপাকা ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক।
চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৬২ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে উচু এলাকার বোরো ধান পাকা শুরু করলেও এখনও মাঠের পর মাঠ কাঁচা পড়ে আছে নিচু এলাকার বোবো ক্ষেত। এ অবস্থায় বৈশাখের মাঝামাঝি সময়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে বিভিন্ন এলাকার অনেক ধান ক্ষেত। ফলে আকাশের পরিস্থিতি বিবেচনায় তড়িঘড়ি করে মাঠের আধা-পাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা। আর যাদের ক্ষেতের ধান এখনও কাঁচা বিপাকে পড়েছেন তারা।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার টগরাইহাট এলাকার কৃষক রহিম মিয়া বলেন, ‘ধান পুরোপুরি না পাকলেও কেটে নিচ্ছি। আকাশের পরিস্থিতি ভালো না। যে কোনো সময় ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি এ হতে পারে। এ কারণে অর্ধেক কাঁচা থাকলেও ধান কেটে নিচ্ছি।’
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের কৃষক বলেন, ‘আমি ৫ বিঘা জমিতে রব্বানী জানায়, আমার ২০ শতক জমির ধান মাটিতে পড়ে গেছে। কাঁচা ধান পড়ে গেলে আর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।’
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ মৌসুমে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ক্ষেতের ৮০ ভাগ ধান পেকে গেলেই কেটে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এজন্য কৃষকদের পাশে থাকতে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিলের কথা জানায় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা।
জেলায় এখন পর্যন্ত কাটা হয়েছে ক্ষেতের ১১ ভাগ ধান। আর কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে ২৭০ হেক্টর জমির ধান ক্ষেত।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ