1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার কুড়িগ্রামে অর্থের প্রলোভনে ধর্মান্তরের অভিযোগ, আটক ২ কুড়িগ্রামে দুই ভারতীয় যুবকসহ এক বাংলাদেশি আটক, ইয়াবা উদ্ধার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী পুনরায় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী কুড়িগ্রামে গ্রেফতার কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা কুড়িগ্রামে ৫ বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও ৭০০ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ বন্ধ কুড়িগ্রাম হাসপাতালে, বিপাকে ভূক্তভোগিরা বরিশাল সদর-৫ আসনে শান্তিপূর্ণ ভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে কুড়িগ্রামের বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায়, দফায় দফায় সেনাবাহিনীর মহড়া কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ভোটের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ আওয়ামী ও সংখ্যালঘু ভোট, পাল্টে যেতে পারে হিসাব-নিকাশ

নদী ভাঙনরোধে পদক্ষেপের দাবিতে নদীতীরে মানববন্ধন

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫
ছবি লোড হচ্ছে.............
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-
রোববার, ২০ এপ্রিল ২০২৫ ইং ০৪:০০ পিএম.
কুড়িগ্রামে শুষ্ক মৌসুমে নদী ভাঙনরোধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে কুড়িগ্রাম কচাকাটা থানার বল্লভেরখাস ইউনিয়নে এই মানববন্ধন করা হয়।
ইউনিয়নের মাঝিপাড়া ও ইসলামপুর গ্রামবাসীর আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা, নাগেশ্বরী উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আতিকুর রহমান লেবু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কচাকাটা থানার সভাপতি মাওলানা এনামুল হক, বল্লভেরখাস ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আকমল হোসেনসহ এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত কচাকাটা উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে ব্রহ্মপুত্র নদসহ দুধকমুার, সংকোশ, গঙ্গাধর নদী বয়ে গেছে। বিগত কয়েক মাসজুড়ে বল্লভেরখাস ইউনিয়নে নদী ভাঙনের তীব্র রূপ নিলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড নীরব ছিল, তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এই শুষ্ক মৌসুমে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি, ১৫০ বিঘা আবাদি জমি বিলীন হয়ে গেছে।
এছাড়াও নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজারসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি এবং আবাদি জমি।
দ্রুত নদী ভাঙনরোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি সাধারণ মানুষের।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ