1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কু‌ড়িগ্রা‌মে ৩০ বছর পর দখলমুক্ত হলো সরকারি রাস্তা ঢাকায় গোপনে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাড়িতে আসতেই তালা ঝুলিয়ে স্বামী উধাও কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা জোরদার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টিসিবি পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরলেন আড়াই হাজার কার্ডধারী কুড়িগ্রামে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত এস.এস.সি পরীক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী জমি লিখে না দেওয়ায় কুড়িগ্রামে বাবাকে মেরে ঘরে আটকে রাখলেন দুই ছেলে কুড়িগ্রামে শিশু হত্যা তদন্তে নেই অগ্রগতি, সংবাদ সংগ্রহে বাধার মুখে ৩ সাংবাদিক কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মহাসড়ক দখল করে মালামাল রাখায় ২ জনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

দোকান ভাড়া ও পাওনাদারদের টাকা না দিয়ে দর্জি উধাও!

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২২ মে, ২০২৪
ছবি লোড হচ্ছে.....

নিজাম খান, রিপোর্টার বরিশাল:

বিগত ১১/০৪/২০২৪ইং তারিখে কাঞ্চী টেইলার্সের স্বত্তাধিকারী রনজিত বড়াল (৩০) পিতা জগদীশ বড়াল  দোকান মালিকের ভাড়া ১৪,৮৫০/=(চৌদ্দ হাজার আট শত পঞ্চাশ) টাকা এবং স্থানীয় লোকদের নিকট হতে বিভিন্ন অজুহাতে হাওলাতের কথা বলে টাকা উঠাইয়া উধাও হয়েছেন।

 রনজিত বড়াল দীর্ঘ দিন যাবৎ বরিশাল সদরের নতুন বাজার ১৯নং ওয়ার্ডের চালতা তলা গলির জনাব মোহাম্মদ আলী খান সাহেবের ভাড়াটিয়া হিসেবে দর্জির দোকান ভাড়া নিয়া দর্জির কাজ করিয়া আসিতেছেন।
হঠাৎ করে তিনি বিভিন্ন তালবাহানা করে দোকান মালিকের ভাড়ার টাকা দেয়া বন্ধ করে দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যমতে জানা যায়, রনজিত বড়াল এনজিও থেকে ঋণ গ্রহণ এবং বিভিন্ন লোকদের কাছ থেকে হাওলাতের কথা বলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে নগদ টাকা হাতিয়ে নেন।
বর্তমানে স্থানীয় কয়েকজন পাওনাদাররা এবং এনজিও কর্মীরা রনজিত বড়ালের কাঞ্চী টেইলার্সে র দর্জি দোকানে পাওনা টাকা তাগিদে এসে দেখতে পান দোকানে শার্টার নামিয়ে তালা ঝুলানো। তখন পাওনাদাররা তার বাসায় খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে তিনি বাসায় নেই, এমতাবস্থায় স্থানীয় পাওনাদাররা এবং নিকটতম বাসিন্দারা এবং যারা তার নিকট পোশাক তৈরি করতে দিয়েছিল সকলেই অনিশ্চয়তার ভিতর সময়  অতিবাহিত করছে। বিষয়টি  স্থানীয় কোতয়ালি মডেল থানা বরিশালের অফিসার ইন-চার্জকে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ