1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কু‌ড়িগ্রা‌মে ৩০ বছর পর দখলমুক্ত হলো সরকারি রাস্তা ঢাকায় গোপনে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাড়িতে আসতেই তালা ঝুলিয়ে স্বামী উধাও কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা জোরদার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টিসিবি পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরলেন আড়াই হাজার কার্ডধারী কুড়িগ্রামে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত এস.এস.সি পরীক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী জমি লিখে না দেওয়ায় কুড়িগ্রামে বাবাকে মেরে ঘরে আটকে রাখলেন দুই ছেলে কুড়িগ্রামে শিশু হত্যা তদন্তে নেই অগ্রগতি, সংবাদ সংগ্রহে বাধার মুখে ৩ সাংবাদিক কুড়িগ্রামে বিএনপি নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মহাসড়ক দখল করে মালামাল রাখায় ২ জনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

লঞ্চঘাটে সুমনের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে মাহিন্দ্র চালক শ্রমিকদের মানববন্ধন

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশাল নৌ- বন্দরে মাহিন্দ্রা, মিশুক (থ্রি হুইলার) ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে লঞ্চঘাটে দীর্ঘদিন যাবৎ ভাটারখাল এলাকার কৈতর সুমন নামের এক চাঁদাবাজ জোরপূর্বক গাড়ি সিরিয়াল দেয়ার জন্য চাঁদা আদায় করে আসছেন। এর প্রতিবাদে বিসিসি মেয়র ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে মানব্বন্ধন ও বিক্ষোভ-মিছিল করেছেন চালক শ্রমিকরা।

আজ ২৭ অক্টোবর,বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কৈতর সুমন ও তার সহযোগীদের চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি নিয়ে নৌবন্দরের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন সাধারণ শ্রমিকরা।

শ্রমিকরা জানান, মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে মাহিন্দ্রা ও সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকদের আয় কমে গেছে। এর মধ্যে প্রতিরাতে নৌ-বন্দর এলাকায় লঞ্চের যাত্রী পরিবহন করার জন্য আমরা গাড়ি নিয়ে আসলে ভাটার খাল এলাকার কৈতর সুমন ও চাঁদমারী মাদ্রাসা গলির রাজিব, ফয়সাল ও মিলন সিরিয়াল দেয়ার জন্য চাঁদা আদায় করেন। আমাদের নানা সমস্যার কথা অনেকবার বলেছি ইউনিয়নকে। তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

একাধিক শ্রমিক জানান, মাহিন্দ্র,সিএনজি যাত্রী পরিবহন করার জন্য লঞ্চঘাট আসলে সুমন ও তার সহযোগীরা সিরিয়াল দেয়ার জন্য অগ্ৰীম ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা এবং প্রতিরাতে গাড়ি প্রতি ১০০ টাকা আদায় করেন। প্রতিবাদ করলে মারধরের শিকার হতে হয়। তাই চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিবাদে আমরা সব শ্রমিক গাড়ি বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করি।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস, জানান আমি সবসময় সাধারণ শ্রমিকদের পাশে আছি। লঞ্চঘাট বা নৌ-বন্দর এলাকায় কোন গাড়ি থেকে কেউ চাঁদাবাজি করলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্ৰহন করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ