1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার কুড়িগ্রামে অর্থের প্রলোভনে ধর্মান্তরের অভিযোগ, আটক ২ কুড়িগ্রামে দুই ভারতীয় যুবকসহ এক বাংলাদেশি আটক, ইয়াবা উদ্ধার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী পুনরায় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী কুড়িগ্রামে গ্রেফতার কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা কুড়িগ্রামে ৫ বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও ৭০০ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ বন্ধ কুড়িগ্রাম হাসপাতালে, বিপাকে ভূক্তভোগিরা বরিশাল সদর-৫ আসনে শান্তিপূর্ণ ভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে কুড়িগ্রামের বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায়, দফায় দফায় সেনাবাহিনীর মহড়া কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ভোটের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ আওয়ামী ও সংখ্যালঘু ভোট, পাল্টে যেতে পারে হিসাব-নিকাশ

কুড়িগ্রামের এক দাখিল মাদ্রাসার সবাই ফেল

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫
ছবি লোড হচ্ছে............
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:-
শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫ ইং ০৭:০১ পিএম.
কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলায় রাজবল্লভ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, দাখিল পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণ করেছিল ২০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ৫ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১৫ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জন গণিতে ও ২ জন ইতিহাস বিষয়ে ফেল করেছে।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার আব্দুল মজিদ বলেন, ২০০৭ সালেও এ প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারেনি। সে বছর ৭ জন পরীক্ষার্থীর ৭ জনই গণিতে ফেল করেছিল। ২০০৭ সালের পর থেকে মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক হাবিবুর রহমান নিয়মিত গণিত ক্লাস নিয়ে আসছিলেন। ফলে গণিতের সংকট আমরা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছিলাম।
সুপার আরও বলেন, আমাদের মাদ্রাসায় রংপুরের পীরগাছা থেকে এনটিআরসি’র দশম ব্যাচের গণিতের শিক্ষক শারমিন আক্তার যোগদান করেন। তিনি গণিতে পারদর্শী নন। এ কারণেই রাজবল্লভ বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় আবারও ফল বিপর্যয় আমাদেরকে অনেক ব্যথিত করেছে।
উলিপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. আব্দুল ওয়াহিদ বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শতভাগ ফেল (অকৃতকার্য) হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করা হবে।
এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নয়ন কুমার সাহা বলেন, এমন ফলাফলে আমরা উদ্বিগ্ন। মাদ্রাসাটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ