1. lakituli@gmail.com : admin : Engr. Md. Lakitul Islam
  2. lakitul.umec@gmail.com : Sarder Alamin : Alamin Sarder
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
বিভিন্ন জেলা,উপজেলা-থানা,পৈারসভা,কলেজ ও ইউনিয়ন পর্যায় সংবাদকর্মী আবশ্যক ।
সংবাদ শিরনাম :
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার কুড়িগ্রামে অর্থের প্রলোভনে ধর্মান্তরের অভিযোগ, আটক ২ কুড়িগ্রামে দুই ভারতীয় যুবকসহ এক বাংলাদেশি আটক, ইয়াবা উদ্ধার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী পুনরায় বিয়েতে রাজি না হওয়ায় হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী কুড়িগ্রামে গ্রেফতার কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা কুড়িগ্রামে ৫ বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও ৭০০ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ বন্ধ কুড়িগ্রাম হাসপাতালে, বিপাকে ভূক্তভোগিরা বরিশাল সদর-৫ আসনে শান্তিপূর্ণ ভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে কুড়িগ্রামের বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায়, দফায় দফায় সেনাবাহিনীর মহড়া কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ভোটের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ আওয়ামী ও সংখ্যালঘু ভোট, পাল্টে যেতে পারে হিসাব-নিকাশ

কুড়িগ্রামে স্কুলে না এসে শিক্ষিকার হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪
Image loading....
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রামের চিলমারীর রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের মজারটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক স্কুলে না এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের ঘটনা ঘটছে। সরেজমিনে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মজারটারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে তালা ঝুলতে দেখা যায়। এসময় প্রধান শিক্ষকের রুমে তিনজন সহকারী শিক্ষককে উপস্থিত পাওয়া যায়। তারা বলেন, রমজান ও ঈদের জন্য আজ বন্ধ দেয়া হলো। এজন্য একটু আগে স্কুল ছুটি দেয়া হয়েছে।
সহকারী শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বাকি শিক্ষকরা একটু আগে বাড়িতে চলে গেছেন। সহকারী শিক্ষিকা মাকসুদা বেগম স্কুল আসার বিষয়ে জানতে চাইলে ওই শিক্ষক বলেন, তিনি আজ স্কুলে আসেনি। এসময় হাজিরা খাতা দেখলে সহকারী শিক্ষিকা মাকসুদা বেগমের বৃহস্পতিবার উপস্থিতির স্বাক্ষর দেখতে পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা মাকসুদা বেগম বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য আমি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। ছয়দিন ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার স্কুলে যেতে পারিনি। প্রধান শিক্ষক স্যারকে  মোবাইলে বলেছি আমি আজ স্কুলে যেতে পারবো না। আমার হাজিরা খাতায় কে স্বাক্ষর করেছে তা আমি জানি না।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুজামাল বলেন, ওই শিক্ষিকা আমাকে ফোনে ছুটি চেয়েছে। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর কে করেছে আমি জানি না।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) মো. জাকির হোসেন জানান, আমি ওই শিক্ষিকার ছুটির বিষয়ে জানি না। আর স্কুলে না এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ